Logo
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬  |  প্রিন্ট: বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। ফাইল ছবি

মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা যেন ভুক্তভোগী সাজতে না পারে: ডেপুটি স্পিকার

ডেস্ক রিপোর্ট।।

মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা যেন নিজেদের ভুক্তভোগী হিসেবে উপস্থাপন করতে না পারে, সে বিষয়ে সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের ডেপুটি স্পিকার কায়সার কামাল। তিনি বলেছেন, অতীতে যারা মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে এবং যারা এর শিকার হয়েছে, তাদের শনাক্ত করে একটি গ্রহণযোগ্য চিত্র তুলে ধরতে হবে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড আর সংঘটিত না হয়, সে বিষয়ে সজাগ ও সচেতন থেকে কাজ করতে হবে।

আজ বুধবার জাতীয় সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের নবগঠিত পার্লামেন্টারি ককাস অন হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিসের প্রথম বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী এবং ভুক্তভোগীদের শনাক্ত করে একটি গ্রহণযোগ্য চিত্র তুলে ধরার উদ্দেশ্যেই এই ককাস গঠন করা হয়েছে। ভবিষ্যতে যাতে এ ধরনের কর্মকাণ্ড আর সংঘটিত না হয়, সে বিষয়ে সজাগ ও সচেতনতার সঙ্গে কাজ করতে হবে। মানবাধিকার লঙ্ঘনকারীরা যাতে ভুক্তভোগী সাজার চেষ্টা না করে, বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে।

নির্বাহী বিভাগকে নিরপেক্ষভাবে কাজ করে ককাসের কার্যক্রম ত্বরান্বিত করার আহ্বান জানান ডেপুটি স্পিকার। তিনি বলেন, বাংলাদেশে এর আগে এ ধরনের সংসদীয় ককাস গঠিত হয়নি। এটিকে কার্যকর কমিটি হিসেবে গড়ে তুলতে সবাইকে দলগতভাবে একযোগে কাজ করতে হবে।

এ লক্ষ্যে আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলোর পারস্পরিক সহযোগিতায় ককাসকে একটি শক্তিশালী পরিকাঠামো হিসেবে দাঁড় করাতে সংশ্লিষ্ট সবার প্রতি আহ্বান জানান তিনি।

ককাসের কর্মপরিধি সম্প্রসারণের লক্ষ্যে মানবাধিকার নিয়ে কাজ করা বিভিন্ন জাতীয় ও আন্তর্জাতিক সংগঠন, সংস্থা এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন সভাপতি ও সদস্যরা। এ ছাড়া এ বিষয়ে সভা, সেমিনার ও গবেষণাকর্মে ককাসের সদস্যদের অংশগ্রহণের বিষয়েও আলোচনা হয়।

ককাসের সভাপতি ফাহিমা নাসরিন এমপির সভাপতিত্বে বৈঠকে সদস্য হুমাম কাদের চৌধুরী, সাঈদ আল নোমান, মীর আহমাদ বিনকাসেম, মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান, মো. আবুল হাসনাত, জহরত আদিব চৌধুরী, সানজিদা ইসলাম ও আন্না মিনজ অংশ নেন।

বৈঠক শেষে কমিটির সভাপতি ফাহিমা নাসরিন সাংবাদিকদের বলেন, দীর্ঘ সময় ফ্যাসিবাদের মধ্যে দিয়ে গেছে বাংলাদেশ। এ সময়ে গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড এবং এনকাউন্টারের নামে নদীতে লাশ ফেলে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। নুরু, জনিসহ অসংখ্য মানুষ এসব ঘটনার শিকার হয়েছেন। দেশের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও এসব ঘটনা এবং মানবাধিকার পরিস্থিতি আলোচিত হয়েছে।

ফাহিমা নাসরিন বলেন, জনগণের প্রকৃত ম্যান্ডেট নিয়ে দীর্ঘদিন পর সরকার গঠিত হয়েছে। মানুষের আশা ও প্রত্যাশার পরিপ্রেক্ষিতেই এ ককাস কাজ করবে। সংসদে এবং সংসদের বাইরে দেশের মানুষের মানবাধিকারসংক্রান্ত বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করা হবে। মানুষ যেন স্বাধীনভাবে কথা বলতে ও মত প্রকাশ করতে পারে, নিজের অধিকার সম্পর্কে জানতে পারে এবং স্বাভাবিক মৃত্যুর নিরাপত্তা পায়, সেসব বিষয় নিশ্চিত করার লক্ষ্য নিয়ে ককাস কাজ করবে।

বিষয়:

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

আরও পড়ুন

  • একটি মহল চক্রান্ত করে শিল্প খাতে অস্থিতিশীলতা তৈরির চেষ্টা করছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
  • প্রাণিসম্পদে অপ্রয়োজনীয় অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার জনস্বাস্থ্যে মারাত্মক ঝুঁকি তৈরি করছে: প্রতিমন্ত্রী
  • সচিব পদে পদোন্নতি পেলেন বিসিআইসির চেয়ারম্যান বাবুল মিঞা

প্রকাশক ও সম্পাদক: হাবিব রহমান

প্রিন্ট করুন