নারায়ণগঞ্জের শীতলক্ষ্যা নদী দূষণে কি পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তা নির্ণয় করে পরিবেশ সচিব এবং পরিবেশ অধিদপ্তরকে আগামী তিন মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ বৃহস্পতিবার বিচারপতি আহমেদ সোহেল ও বিচারপতি এস এম ইফতেখার উদ্দিন মাহমুদের বেঞ্চ এ আদেশ দেন। আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনজিল মোরসেদ।
এর আগে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে বিভিন্ন শিল্প কারখানার বর্জ্য ফেলে পানি দূষণের বিষয়ে গণমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করে হিউম্যান রাইটস অ্যান্ড পিস ফর বাংলাদেশ জনস্বার্থে রিট দায়ের করে।
ওই রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত বছরের ৬ মে হাইকোর্ট রুল জারি করে নির্দেশনা দেন মনিটরিং কমিটি গঠনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য। এ ছাড়া কি পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে তার হিসাব করে আদালতে প্রতিবেদন দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়।
মনজিল মোরসেদ বলেন, পরিবেশ আইন অনুসারে পরিবেশের লাইসেন্স ব্যতীত কোন শিল্পকারখানা পরিচালনা করা পরিবেশ আইন অনুযায়ী দণ্ডনীয় অপরাধ। কিন্তু শিল্প মালিকরা আইনের তোয়াক্কা না করে দীর্ঘদিন থেকে ইটিপি ছাড়াই তাঁদের শিল্প প্রতিষ্ঠান পরিচালনা করে শীতলক্ষ্যা নদীর দূষণ করছেন। আদালত প্রায় এক বছর আগে প্রতিবেদন দিতে আদেশ দিলেও এখন পর্যন্ত তা দাখিল করা হয়নি। এ জন্য আবারও আবেদন করা হয়।