Logo
প্রকাশ: বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬  |  প্রিন্ট: বুধবার, ৪ নভেম্বর ২০২৬
উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মেট্রোরেল ভবনে আয়োজিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান। ছবি: আজকের পত্রিকা

এমআরটি লাইন-১ নির্মাণে চার প্যাকেজের চুক্তি

ডেস্ক রিপোর্ট।।

রাজধানীর প্রথম পাতাল মেট্রোরেল এমআরটি লাইন-১ নির্মাণে চারটি প্যাকেজের চুক্তি স্বাক্ষর করেছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। এসব প্যাকেজের আওতায় প্রায় ৯ দশমিক ৬৩ কিলোমিটার পাতাল রেলপথ ও স্টেশন নির্মাণের পাশাপাশি ট্র্যাক, বিদ্যুৎ, সংকেত ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে।

আজ বুধবার রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়ীতে মেট্রোরেল ভবনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এসব চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। বাংলাদেশ সরকার ও জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থার (জাইকা) যৌথ অর্থায়নে প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হচ্ছে।

চুক্তি অনুযায়ী, সিপি-৪ প্যাকেজের আওতায় রামপুরা আন্ডারগ্রাউন্ড স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে নতুন বাজার স্টেশন পর্যন্ত ৪ দশমিক ৪৪৭ কিলোমিটার পাতাল রেলপথ নির্মাণ করা হবে। অন্যদিকে, সিপি-৬ প্যাকেজে নদ্দা স্টেশনের উত্তর প্রান্ত থেকে বিমানবন্দর স্টেশন পর্যন্ত ৫ দশমিক ১৮২ কিলোমিটার পাতাল রেলপথ নির্মাণের কাজ চলমান রয়েছে।

এ ছাড়া সিপি-৯ প্যাকেজের আওতায় রেললাইন, টার্নআউটসহ ট্র্যাক ও বৈদ্যুতিক অবকাঠামো স্থাপন করা হবে। সিপি-১০ প্যাকেজের কাজের মধ্যে রয়েছে স্বয়ংক্রিয় ট্রেন নিয়ন্ত্রণ, সংকেত ও টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থা, প্ল্যাটফর্ম স্ক্রিন ডোর এবং এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট ব্যবস্থা স্থাপন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক বলেন, রাজধানীর যানজট নিরসন এবং নাগরিকদের আধুনিক গণপরিবহন সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এমআরটি লাইন-১ বাস্তবায়নের মাধ্যমে রাজধানীর গণপরিবহন ব্যবস্থায় নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

তিনি নির্মাণকাজে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা ও গুণগত মান নিশ্চিত করে নির্ধারিত সময়ে প্রকল্পের কাজ শেষ করার নির্দেশনা দেন। একই সঙ্গে নির্মাণকাজের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তি দীর্ঘায়িত না করা, পরিবেশ সুরক্ষা এবং প্রকল্প এলাকার আশপাশের বাসিন্দাদের কল্যাণে গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান মোহাম্মদ জিয়াউল হক।

অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনইচি মেট্রোরেল প্রকল্পের বাস্তবায়ন কার্যক্রম পুনরায় শুরু ও গতিশীল করার উদ্যোগের জন্য বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানান। তিনি বলেন, বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়নে জাপানের সহযোগিতা ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

এ সময় জাইকা বাংলাদেশ অফিসের চিফ রিপ্রেজেন্টেটিভ তাকাহাশি জুনকোসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

বিষয়:

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত

আরও পড়ুন

  • বাংলাদেশকে অভিবাসন গন্তব্য হিসেবে গড়ে তুলতে হবে: স্পিকার
  • নতুন বেতন কাঠামোয় অসংগতি দূর করতে কমিটি গঠন
  • হামের টিকা: অন্তর্বর্তী সরকারের দায় খুঁজতে তদন্ত কমিশন গঠন

প্রকাশক ও সম্পাদক: হাবিব রহমান

প্রিন্ট করুন