হামজাকে জয় দিয়ে বরণ করতে চান নতুন অধিনায়ক তপু – MZamin
হামজাকে জয় দিয়ে বরণ করতে চান নতুন অধিনায়ক তপু – MZamin
0:00 0:00

হামজাকে জয় দিয়ে বরণ করতে চান নতুন অধিনায়ক তপু – MZamin

খেলা
হামজাকে জয় দিয়ে বরণ করতে চান নতুন অধিনায়ক তপু – MZamin
নিউজ ডেস্ক
৪ নভেম্বর ২০২৬, ১:০১ পিএম

বেশ কিছুদিন ধরেই জাতীয় দলের একাদশে অনিয়মিত জামাল ভূঁইয়া। তবে ম্যাচের আগে সংবাদ সম্মেলনে কোচের পাশে দেখা যেতো তাকেই। একাদশে নিয়মিত সুযোগ না পাওয়া একজন খেলোয়াড়কে অধিনায়ক রাখার বিষয়টি নিয়ে সমালোচনাও হচ্ছিল। অবশেষে সেই বিতর্কের অবসান ঘটালো বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট। ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের অধিনায়কের দায়িত্ব পেয়েছেন অভিজ্ঞ ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। গতকাল আনুষ্ঠানিক সংবাদ সম্মেলনে কোচ থমাস ডুলির সঙ্গে হাজির হন তপু। সাফের সহকারী মিডিয়া ম্যানেজার জিগমে দর্জিও তাকে বাংলাদেশের অধিনায়ক হিসেবে পরিচয় করিয়ে দেন।

প্রায় এক দশক ধরে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন জামাল ভূঁইয়া। তবে তার চোট কিংবা অনুপস্থিতিতে সোহেল রানা ও তপুর হাতে উঠেছে অধিনায়কের আর্মব্যান্ড। এবার সাফে কি স্থায়ীভাবেই অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করবেন তপু? এমন প্রশ্নে ডুলি বলেন, ‘আমাদের দলে অধিনায়ক হওয়ার মতো তিনজন খেলোয়াড় রয়েছে। তপু আগেও অধিনায়কত্ব করেছে। সে অধিনায়ক হতেই পারে।’ অধিনায়কত্ব নিয়ে বাড়তি আলোচনার প্রয়োজন নেই বলেও মনে করেন বাংলাদেশ কোচ।

অন্য দলগুলোর চোখেও বাংলাদেশ শিরোপার অন্যতম দাবিদার। বাংলাদেশের হেড কোচ থমাস ডুলিও দর্শকদের সমর্থনকে চাপ নয়, বরং বাড়তি শক্তি হিসেবে দেখতে চান। চাপের বিষয়টি মানছেন অধিনায়ক তপুও। তবে চাপকে ভয় পাওয়ার কিছু দেখছেন না তিনি। বরং এই চাপ থেকেই ভালো ফল আসতে পারে বলে বিশ্বাস তাঁর। ক্লাবের কাছ থেকে ছুটি না মেলায় ভুটানের বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে খেলতে পারবেন না হামজা চৌধুরী। হামজাকে মিস করবেন, তবে জয় দিয়ে তাঁকে স্বাগত জানানোর ইচ্ছার কথা জানিয়ে তপু বলেন, ‘হামজাকে অনেক মিস করব। তবে আমরা আগে থেকেই জানি, সূচির কারণে প্রথম ম্যাচে তাকে পাব না। আমাদের কাজ হবে পথটা তার জন্য সহজ করে দেওয়া, অর্থাৎ ভুটানের বিপক্ষে জেতা।

সে যেন জয়ী দলের সঙ্গে যোগ দিতে পারে, আমরা সেটাই চাই।’ বাংলাদেশ জাতীয় দলের হয়ে এ পর্যন্ত ৭০টি ম্যাচ খেলেছেন তপু। ২০১৩ সালে লাল-সবুজের জার্সিতে অভিষেক হওয়া এই ডিফেন্ডার রক্ষণ সামলানোর পাশাপাশি ৮টি গোলও করেছেন। যা বাংলাদেশের এই দলের সর্বোচ্চ। দ্বিতীয় সর্বোচ্চ সাত গোল আছে শেখ মোরসালিনের। ছয়টি রাকিব হোসেন ও চার গোল আছে হামজা চৌধুরীর। বাংলাদেশের সাফ জয়ের ইতিহাসের সঙ্গেও মিল রয়েছে এবারের অধিনায়কের। ২০০৩ সালে বাংলাদেশ যখন প্রথমবারের মতো সাফ চ্যাম্পিয়ন হয়, তখন দলের অধিনায়ক ছিলেন ডিফেন্ডার রজনীকান্ত বর্মণ। ২৩ বছর পর আরেক ডিফেন্ডার তপু বর্মণের কাঁধে উঠলো একই দায়িত্ব। এবার তার নেতৃত্বে শিরোপা পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন দেখছে বাংলাদেশ।