চ্যাম্পিয়ন্স লীগে রেকর্ডের মহাপ্রলয় – MZamin
চ্যাম্পিয়ন্স লীগে রেকর্ডের মহাপ্রলয় – MZamin
0:00 0:00

চ্যাম্পিয়ন্স লীগে রেকর্ডের মহাপ্রলয় – MZamin

খেলা
চ্যাম্পিয়ন্স লীগে রেকর্ডের মহাপ্রলয় – MZamin
নিউজ ডেস্ক
৫ নভেম্বর ২০২৬, ৩:১৮ এএম

উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের চতুর্থ সপ্তাহের ম্যাচগুলোতে রেকর্ডের মহাযজ্ঞ দেখলো ফুটবল বিশ্ব। ইউরোপিয়ান ফুটবলের এই রোমাঞ্চকর রাতে নতুন উচ্চতায় পৌঁছেছে জায়ান্ট রিয়াল মাদ্রিদ এবং চমক জাগানো ইতালিয়ান ক্লাব কোমো। হয়েছে আরও অনেক রেকর্ড। মানবজমিন পাঠকদের জন্য আকর্ষণীয় পরিসংখ্যান ও রেকর্ডগুলো নিচে তুলে ধরা হলো।
১০০
চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ইতিহাসে কেবল ১০২তম ম্যাচেই ১০০ গোল অবদানের (৭৪ গোল, ২৬ অ্যাসিস্ট) মাইলফলক স্পর্শ করেছেন কিলিয়ান এমবাপ্পে। তার চেয়ে কম ম্যাচে এই কীর্তি গড়েন কেবল লিওনেল মেসি (১০১ ম্যাচ)।
৬
রিয়াল মাদ্রিদের হয়ে টানা ৬টি চ্যাম্পিয়নস লীগ ম্যাচে গোল করেছেন এমবাপ্পে (৬ গোল), যা এই প্রতিযোগিতায় তার দীর্ঘতম গোল করার রেকর্ডের সমান। এর আগে প্যারিস সেইন্ট জার্মেইর (পিএসজি) জার্সিতেও ২০২১ সালের নভেম্বর থেকে ২০২২ সালের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত টানা ৬ ম্যাচে গোল করেন তিনি।
১০
রিয়ালের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে নিজের দশম গোল করেন জুড বেলিংহ্যাম, যা অল হোয়াইটদের অন্য সব ইংলিশ খেলোয়াড়ের সম্মিলিত গোলের চেয়েও এটি একটি বেশি (ম্যাকমানামান ৫, বেকহ্যাম ২, উডগেট ১, ওভেন ১)।
৯ ও ২
ভালভার্দের শেষ মুহূর্তের গোলটি ছিল চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ইতিহাসে রিয়াল মাদ্রিদের নবম ৯০ মিনিটের জয়সূচক গোল। এছাড়া রিয়াল মাদ্রিদই একমাত্র দ্বিতীয় দল যারা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের একই মৌসুমে একাধিক অ্যাওয়ে ম্যাচে ৯০ মিনিটের গোলে জিতলো।
১
এইকে অ্যাথেন্সের আবৌবাকারি কোইতা প্রথম মৌরিতানিয়ান ফুটবলার হিসেবে উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে গোল করার ইতিহাস গড়লেন।
০/৬
ইউরোপিয়ান কাপ বা চ্যাম্পিয়ন্স লীগে তুর্কি দলগুলোর বিপক্ষে কোনো অ্যাওয়ে ম্যাচই জিততে পারেনি লিভারপুল। ৬ ম্যাচের ৫টিতেই হেরেছে তারা, যার মধ্যে শেষ চারটিতেই টানা হার। চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ইতিহাসে কোনো নির্দিষ্ট দেশের দলগুলোর বিপক্ষে টানা পাঁচটি অ্যাওয়ে ম্যাচ হারের লজ্জা লিভারপুলের এটাই প্রথম।
১০ ও ৩
চলতি মৌসুমের প্রথম চার ম্যাচে ১০ গোল হজম করেছে লিভারপুল, যা প্রতিযোগিতার লীগ বা গ্রুপ পর্বের প্রথম চার ম্যাচে তাদের সর্বোচ্চ গোল খাওয়ার রেকর্ড। এছাড়া ইউরোপিয়ান প্রতিযোগিতায় এই প্রথম টানা তিন ম্যাচে তিন বা তার বেশি গোল হজম করল অল রেডরা।
২
লিভারপুলের বিপক্ষে ফেনারবাচের আর্চি ব্রাউন ও মেসন গ্রিনউডের গোলে একটি বিরল রেকর্ড হয়েছে। ইতিহাসে এ নিয়ে মাত্র দ্বিতীয়বার কোনো ইংলিশ দলের বিপক্ষে কোনো ম্যাচে দুজন ইংলিশ খেলোয়াড় গোল করলেন। এর আগে ২০০৪ সালে চেলসির হয়ে আর্সেনালের বিপক্ষে ফ্র্যাংক ল্যাম্পার্ড ও ওয়েইন ব্রিজ এই কীর্তি গড়েন।
১
মেসন গ্রিনউডই প্রথম খেলোয়াড়, যিনি ২০১৯ সালে লিওনেল মেসির পর লিভারপুলের বিপক্ষে সরাসরি ফ্রি-কিক থেকে গোল করলেন।
১৯ বছর ১২৭ দিন
১৯ বছর ১২৭ দিন বয়সে লিভারপুলের হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে গোল করা দ্বিতীয় সর্বকনিষ্ঠ খেলোয়াড় বনে গেলেন ট্রে ইওনি। এই তালিকায় সবার উপরে আছেন ২০১৭ সালে মারিবোরের বিপক্ষে গোল করা ট্রেন্ট আলেকজান্ডার-আর্নল্ড (১৯ বছর ১০ দিন)।
৯
উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লীগের ইতিহাসে দ্বিতীয় দল এবং প্রথম অ্যাওয়ে দল হিসেবে কোনো ম্যাচে নয়টি গোল করার কীর্তি গড়লো কোমো। এর আগে একমাত্র বায়ার্ন মিউনিখ এই রেকর্ড করে। ২০২৪-২৫ মৌসুমে ডায়নামো জাগরেবের বিপক্ষে ৯-২ গোলে জেতে বাভারিয়ানরা।
৮
কোমোর বিপক্ষে লসের আট গোলের ব্যবধানের হারটি টুর্নামেন্টের ইতিহাসের যৌথভাবে সবচেয়ে বড় জয়। এর আগে ২০১৫ সালে রিয়াল মাদ্রিদ ৮-০ গোলে মালমোকে এবং ২০০৭ সালে লিভারপুল ৮-০ গোলে
৪
কোমোর হয়ে চ্যাম্পিয়ন্স লীগের প্রথম চার ম্যাচেই গোল করার কৃতিত্ব দেখান ডৌভিকাস। এর আগে কেবল আলেসান্দ্রো দেল পিয়েরোই (১৯৯৫-৯৫ মৌসুমে জুভেন্টাসের হয়ে প্রথম পাঁচ ম্যাচে) এমন কীর্তি গড়েন।
৩৫
আরবি লিপজিগ (১১) এবং ম্যানচেস্টার সিটির (২৪) মধ্যে অনুষ্ঠিত ৭টি চ্যাম্পিয়ন্স লীগ ম্যাচে মোট ৩৫টি গোল হয়েছে। প্রতিযোগিতায় ৫ বা তার বেশি ম্যাচ খেলা দলগুলোর মধ্যে প্রতি ম্যাচে গড়ে ৫.০ গোল হওয়ার এটিই সর্বোচ্চ রেকর্ড।
১৩ ও ৭
আরবি লিপজিগের বিপক্ষে ৯ ম্যাচে ১৩ গোল করেছেন আর্লিং ব্রাউট হালান্দ, যা যেকোনো প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তার সর্বোচ্চ। এর মধ্যে চ্যাম্পিয়ন্স লীগেই লাইপজিগের বিপক্ষে তার গোল ৭টি, এটিও কোনো নির্দিষ্ট প্রতিপক্ষের বিপক্ষে তার ক্যারিয়ারে সর্বোচ্চ।
২৩
আর্সেনালের কাছে হেরে ইউরোপিয়ান কাপের ইতিহাসে দীর্ঘতম জয়হীন ২১ বা তার বেশি ম্যাচের লজ্জাজনক রেকর্ডে ভাগ বসালো স্লাভিয়া প্রাগ (২৩ ম্যাচÑ৮ ড্র, ১৫ হার)। এর আগে ১৯৮৯ থেকে ২০০৬ সালের মধ্যে অ্যাথেন্স এবং ২০০৬ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে এফসিএসবি এই রেকর্ড গড়ে।
১৬
ভিক্টর ইয়োকেরেসের ক্যারিয়ারে চ্যাম্পিয়ন্স লীগে গোল অবদান এখন ১৬টি (১২ গোল, ৪ অ্যাসিস্ট)। সুইডিশ খেলোয়াড়দের মধ্যে জ্লাতান ইব্রাহিমোভিচের ৭২ অবদানের (৪৮ গোল, ২৪ অ্যাসিস্ট) পর এমিল ফর্সবার্গ ও ফ্রেডরিক লিউনবার্গের সঙ্গে যৌথভাবে দ্বিতীয় স্থানে আছেন তিনি।