ভুটান ম্যাচে বিশ্বনাথকে স্ট্রাইকার বানাচ্ছেন ডুলি! – MZamin
এই পরিস্থিতি বিবেচনায় নিয়ে দলগুলোকে ২৮ সদস্যের স্কোয়াড করার সুযোগ দিয়েছে সাফ কর্তৃপক্ষ। তবে প্রতিটি ম্যাচের দিন সকালে চূড়ান্ত ২৩ জনের তালিকা জমা দিতে হচ্ছে। ভুটানের বিপক্ষে সেই তালিকায় অভিজ্ঞ সোহেল রানা, শেখ মোরসালিন ও তরুণ স্ট্রাইকার মাহি খানকে রাখেননি ডুলি।
প্রথম ম্যাচেই গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি পজিশনে পরিবর্তন এবং পরিচিত ডিফেন্ডারকে স্ট্রাইকার হিসেবে খেলানোর পরিকল্পনা কতটা সফল হয়, সেটিই এখন দেখার। গোলের খোঁজে ডুলির এই নতুন কৌশল কাজে এলে স্বস্তি ফিরবে বাংলাদেশের শিবিরে। ব্যর্থ হলে শুরুতেই প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে কোচের পরীক্ষা-নিরীক্ষা।
এমনিতেই বাংলাদেশের ফুটবলের বড় সমস্যা গোল করতে না পারা। সেই সমস্যা কাটাতে দুই প্রবাসী ফুটবলার মাহি খান ও রোনান সুলিভানকে সাফের দলে রেখেছিলেন ডুলি। কিন্তু চোটের কারণে আগেই ছিটকে গেছেন রোনান। ক্যাম্পের শুরু থেকে দলের সঙ্গে থাকা মাহিকে নিয়েও ছিল কোচের বড় পরিকল্পনা। অথচ ভুটানের বিপক্ষে ম্যাচের চূড়ান্ত ২৩ জনের দলেই জায়গা হয়নি এই তরুণ স্ট্রাইকারের। সাম্প্রতিক সময়ে গোল পাওয়া শেখ মোরসালিনকেও রাখা হয়েছে বিশ্রামে। ফিটনেস সমস্যায় বাদ পড়েছেন অভিজ্ঞ সোহেল রানাও।
সম্ভাব্য একাদশে গোলপোস্ট সামলাবেন মেহেদী হাসান শ্রাবন। সেন্টার-ব্যাক হিসেবে অধিনায়ক তপু বর্মণের সঙ্গে থাকবেন জিদান ইউসুফ। দুই ফুলব্যাক জায়ান আহমেদ ও সাদ উদ্দিন। মাঝমাঠে তারিক কাজীর সঙ্গে দেখা যেতে পারে জামাল ভূঁইয়া অথবা কাজেম শাহকে। অ্যাটাকিং মিডফিল্ডে থাকবেন শমিত সোম। দুই উইং দিয়ে আক্রমণ শাণাবেন রাকিব হোসেন ও ফয়সাল আহমেদ ফাহিম। আর সবার সামনে গোলের দায়িত্বে থাকতে পারেন বিশ্বনাথ ঘোষ।
এবারের সাফে দলগুলোর খেলোয়াড় সংকটও বড় আলোচনার বিষয়। ফিফা উইন্ডোর বাইরে টুর্নামেন্ট হওয়ায় ভুটান ও মালদ্বীপ ছাড়া কোনো দলই শুরু থেকে পূর্ণ শক্তির স্কোয়াড পাচ্ছে না। ভারতের ২৮ সদস্যের স্কোয়াড থেকে ঢাকায় এসেছেন ১৮ জন। বাকিরা পরে যোগ দেবেন। পাকিস্তানেরও বেশ কয়েকজন বংশোদ্ভূত ফুটবলার ক্লাব থেকে ছাড়পত্র না পাওয়ায় আসতে পারেননি। বাংলাদেশের হামজা চৌধুরী ও ফারহান আলী ওয়াহিদ যোগ দেবেন শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ম্যাচের আগে। শ্রীলঙ্কারও একাধিক প্রবাসী ফুটবলার শুরু থেকে খেলতে পারছেন না।
আপনার মতামত লিখুন