Logo
প্রকাশ: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬  |  প্রিন্ট: শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর ২০২৬
২০০ রানের লক্ষ্য দিতে চায় বাংলাদেশ - MZamin

২০০ রানের লক্ষ্য দিতে চায় বাংলাদেশ – MZamin

ডেস্ক রিপোর্ট।।

বল হাতে মাইলফলক ছোঁয়ার পর ব্যাট হাতে আশার আলো হওয়ার চেষ্টা নাঈম হাসানের। ওয়েস্ট ইন্ডিজের প্রথম ইনিংসের ৮১তম ওভারে শামার জোসেফকে আউট করে বনে যান বলের হিসেবে টেস্টে বাংলাদেশের দ্রুততম ৫০ উইকেট শিকারি। ২৮৫৬ ডেলিভারিতে এই মাইলফলকে পৌঁছান ডানহাতি অফস্পিনার। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট হাতে জাকের আলীকে নিয়ে লড়ছেন নাঈম। তৃতীয় দিনশেষে লিড ১০৬ রানের। সংবাদ সম্মেলনে এসে নাঈম বলেন, এ পরিস্থিতি থেকে অন্তত ২০০ রানের লক্ষ্য দিতে চায় বাংলাদেশ দল। দ্বিতীয় ইনিংসে ব্যাট করতে নেমে ৫৩ রানে ৬ উইকেট হারায় বাংলাদেশ। সেখান থেকে সপ্তম উইকেটে ৪৪ বলে ২৬ রানের জুটি গড়ে অপরাজিত জাকের ও নাঈম। চতুর্থ দিনে বাংলাদেশের লক্ষ্য জানিয়ে নাঈম বলেন, ‘চেষ্টা করবো যত বেশি রান করতে পারি। এখন আমি আর জাকের ভাই ব্যাটিং করছি, আমরা যদি লম্বা সময় খেলতে পারি, তাহলে যত বেশি রানের লক্ষ্য দেবো ততই আমাদের জন্য ভালো। ২০০ রান হলে খুবই ভালো হবে। চেষ্টা থাকবে আরও বেশি করার।’

মিরপুর টেস্টে প্রথম দিনে পড়েছিল ৩ উইকেট। দ্বিতীয় দিনে ১১ ও তৃতীয় দিনে সেটি ১৩ উইকেটে গিয়ে ঠেকেছে। প্রথম দিনে ২১৩ রান হয়েছিল। এরপর দ্বিতীয় ও তৃতীয় দিনে যথাক্রমে ১৯৩ ও ১৯০ রান হয়। স্বাভাবিকভাবে চতুর্থ দিনে ব্যাটারদের জন্য রান তোলা সহজ হওয়ার কথা না। ২০০ রানের লিড পেতে হলে হাতে থাকা চার উইকেট নিয়ে আরো একশোর কাছাকাছি রান তুলতে হবে বাংলাদেশকে। যদি ১৫০ রানের টার্গেট আশেপাশে টার্গেট দেয়া যায়; তবে জয় সম্ভব কিনা এমন প্রশ্নে ২৬ বছর বয়সী নাঈম বলেন, ‘আমাদের তো উইকেট আছে, আমরা চেষ্টা করবো যত বেশি রান করতে পারি। আমরা যত বেশি রান করতে পারবো ততই আমাদের জন্য ভালো। এখন কোনো লক্ষ্য ঠিক না করি। আপনারা বিশ্বাস রাখতে পারেন, আমি আর জাকের ভাই যেন লম্বা খেলতে পারি।’ ২০১৮ সালে ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে সাদা পোশাকে অভিষেক হয় নাঈম হাসানের। এরপর আট বছরে খেলেছেন মাত্র ১৬ টেস্ট। তাইজুল ইসলাম ও মেহেদি হাসান মিরাজের উপস্থিতিতে বাংলাদেশ দলে নিয়মিত সুযোগ হয় না।

তবে ২৮ ইনিংসে বল ঘুরিয়ে ডানহাতি অফস্পিনারের শিকার ৫২ উইকেট। টেস্টে কম সুযোগ পাওয়ার আক্ষেপ আছে কিনা এমন প্রশ্নে নাঈম বলেন, ‘ক্যাপ্টেন টিমের জন্য যেটা ভালো মনে করে ওইটাই করে। মিরাজ ভাই আর তাইজুল ভাই ওদের উপর বিলিফটা বেশি। এখন ইনশাআল্লাহ যদি আমি সামনে যদি এরকম পারফর্ম করতে থাকি তাহলে আমার উপরেও বিলিফটা আসলে তখন আমাকেও বেশি বল করাবে ইনশাআল্লাহ। আমাকে যখন সুযোগ দেয় আমি চেষ্টা করি আমার ১০০ পারসেন্টটা দিতে আর টিমের জন্য যেটা বেস্ট ওইটা করার ট্রাই করতেছি।

আমি চেষ্টা করি।’ প্রথম ইনিংসে ওয়েস্ট ইন্ডিজের অধিনায়ক রোস্টন চেজের একটি ক্যাচ সিলি পয়েন্টে তালবন্দি করতে পারেননি মুমিনুল হক। পয়েন্টে ক্যাচ নিতে পারেনি নাঈম হাসান। এছাড়া স্লিপ ফিল্ডিংয়েও বাংলাদেশের দুর্বলতা দেখা গেছে। এ প্রসঙ্গে নাঈম বলেন, ‘আসলে সিলি পয়েন্টে ক্যাচগুলো অনেক টাফ হয়। সিলি পয়েন্টে ক্যাচ ধরাটা। তো সৌরভ ভাই খুব ভালো আমি বলব ওয়ার্ল্ডে বেস্ট সিলি ফিল্ডার আমার চোখের দেখায়। তো হঠাৎ মিস হইতে পারে। নরমালি দেখেন আমি পয়েন্টে ক্যাচ মিস করে দিছি। আসলে সবাই সবার ১০০ পারসেন্ট এফোর্ট দেয়। অনেক সময় দেখা যায় হইতে পারে। স্পোর্টসম্যানদের লাইফে ওরকম হয় আপস অ্যান্ড ডাউন। সবাই চায় ১০০ পারসেন্ট এফোর্ট দেওয়ার জন্য। নরমালি চিন্তা করেন আপনাদের লাইফে কি প্রত্যেকদিন একরকম যায়? সবাই কিন্তু ১০০ পারসেন্ট ট্রাই করে। একদিন ভালো হয় একদিন খারাপ হয়। এটা মেনে নিতে হবে।’

আরও পড়ুন

  • ফিফা অনূর্ধ্ব-১৫ বিশ্বকাপে রানার্সআপ বাংলাদেশ – MZamin
  • মিরপুরে বিভীষিকাময় ব্যাটিং শান্ত হৃদয়দের – MZamin
  • ঘরের মাঠে রেকর্ড গড়ে ভারতকে হারালো নিউজিল্যান্ড – MZamin

প্রকাশক ও সম্পাদক: হাবিব রহমান

প্রিন্ট করুন