বহুপাক্ষিকতা ও জাতিসংঘ সংস্কারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন হুমায়ুন
বহুপাক্ষিকতা ও জাতিসংঘ সংস্কারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন হুমায়ুন
0:00 0:00

বহুপাক্ষিকতা ও জাতিসংঘ সংস্কারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন হুমায়ুন

বাংলাদেশ
বহুপাক্ষিকতা ও জাতিসংঘ সংস্কারে বাংলাদেশের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করলেন হুমায়ুন

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। ছবি: সংগৃহীত

নিউজ ডেস্ক
২৪ অক্টোবর ২০২৬, ১২:৫৮ পিএম

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেছেন, বাংলাদেশ বহুপাক্ষিকতার প্রতি দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ এবং বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘের অর্থবহ সংস্কার সমর্থন করে।

জাতিসংঘ দিবস উপলক্ষে দেওয়া এক বার্তায় তিনি আজ বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার গণতান্ত্রিক শাসনব্যবস্থা জোরদার, মানবাধিকার ও আইনের শাসন সমুন্নত রাখা এবং জবাবদিহিমূলক প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার বিষয়ে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।

প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের সভাপতি হিসেবে বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর নির্বাচিত হওয়া বহুপক্ষীয় কর্মকাণ্ডে সরকারের নতুন করে সক্রিয় হওয়ার অঙ্গীকারের প্রতিফলন।

হুমায়ুন কবির বলেন, বাংলাদেশ আরও প্রতিনিধিত্বমূলক, স্বচ্ছ ও কার্যকর জাতিসংঘ প্রতিষ্ঠার পক্ষে। সমসাময়িক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে বিশ্ব সংস্থাটিকে কার্যকর ভূমিকা পালনে সক্ষম করতে নিরাপত্তা পরিষদের অর্থবহ সংস্কারসহ প্রয়োজনীয় পদক্ষেপকে বাংলাদেশ সমর্থন করে। তিনি বলেন, ‘ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, সশস্ত্র সংঘাত, মানবিক সংকট ও ক্রমবর্ধমান বৈষম্যের এ সময়ে বহুপাক্ষিকতা শুধু একটি বিকল্প নয়, বরং এটি অপরিহার্য।’

প্রতিমন্ত্রী সংলাপ, বিরোধের শান্তিপূর্ণ নিষ্পত্তি, রাষ্ট্রগুলোর সার্বভৌম সমতা এবং আন্তর্জাতিক আইনের প্রতি শ্রদ্ধা পুনর্ব্যক্ত করার আহ্বান জানান।

বিশ্বশান্তিতে বাংলাদেশের অবদানের কথা তুলে ধরে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব বাস্তব কর্মকাণ্ড ও সংহতির ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। তিনি বলেন, জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অন্যতম শীর্ষ অবদানকারী দেশ হিসেবে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীরা বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে চ্যালেঞ্জিং পরিবেশে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন।

শান্তিরক্ষা কার্যক্রম এবং শান্তি ও নিরাপত্তাবিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীদের অংশগ্রহণ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়ে বাংলাদেশের অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেন তিনি।

হুমায়ুন কবির বলেন, টেকসই উন্নয়ন, দুর্যোগ মোকাবিলায় সক্ষমতা বৃদ্ধি, দারিদ্র্য বিমোচন, লিঙ্গসমতা ও মানবিক কার্যক্রমসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাতিসংঘের সঙ্গে বাংলাদেশের অংশীদারত্ব বিস্তৃত।

জাতিসংঘ ও এর সদস্যরাষ্ট্রগুলোর প্রতি আন্তরিক শুভেচ্ছা জানিয়ে হুমায়ুন কবির বলেন, জাতিসংঘ দিবস অভিন্ন বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় জাতিসংঘ সনদের স্থায়ী প্রাসঙ্গিকতা এবং সম্মিলিত উদ্যোগের গুরুত্ব স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা একসঙ্গে কাজ করে আস্থা পুনরুদ্ধার করি, বিভেদ দূর করি এবং এমন একটি বিশ্ব গড়ে তুলি, যেখানে শান্তি, ন্যায়বিচার ও সমৃদ্ধি সবার মধ্যে ভাগাভাগি হবে।’

বিষয়:

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত