আইসিসির ডিমেরিট পয়েন্ট পাওয়া বিতর্কিত পিচ খুঁড়ে ফেললো এমসিসি – MZamin
আইসিসির ডিমেরিট পয়েন্ট পাওয়া বিতর্কিত পিচ খুঁড়ে ফেললো এমসিসি – MZamin
0:00 0:00

আইসিসির ডিমেরিট পয়েন্ট পাওয়া বিতর্কিত পিচ খুঁড়ে ফেললো এমসিসি – MZamin

খেলা
আইসিসির ডিমেরিট পয়েন্ট পাওয়া বিতর্কিত পিচ খুঁড়ে ফেললো এমসিসি – MZamin
নিউজ ডেস্ক
১৫ অক্টোবর ২০২৬, ৩:২৬ এএম

ক্রিকেট তীর্থস্থান খ্যাত ঐতিহ্যবাহী পিচ নিয়ে বিতর্কের শেষ ছিল না। ইংল্যান্ড ও নিউজিল্যান্ডের মধ্যকার জুনের সেই টেস্ট ম্যাচের পর অবশেষে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে মেরিলিবোন ক্রিকেট ক্লাব (এমসিসি)। অতিরিক্ত সিম মুভমেন্ট এবং অসমান বাউন্সের কারণে আইসিসির প্রথম ডিমেরিট পয়েন্ট পায় লর্ডসের ঐতিহাসিক ‘পিচ নম্বর ৯’। সেটি পুরোপুরি খুঁড়ে ফেলা হয়েছে। আগামী অন্তত দুই থেকে তিন বছর বন্ধ থাকবে এই উইকেটের ব্যবহার।

গত জুনে হওয়া সেই টেস্টে মাত্র ১৬৬ ওভারেই খেলা শেষ হয়ে যায় এবং পতন ঘটে ৪০টি উইকেটের। এর মধ্যে ২৪টি উইকেটই ছিল বোল্ড বা এলবিডব্লিউর শিকার। ম্যাচ রেফারি অ্যান্ডি পাইক্রফট পিচটিকে ‘অসন্তোষজনক’ বলে ঘোষণা করার পরই নড়েচড়ে বসে এমসিসি।

ক্লাবের চেয়ারম্যান মার্ক নিকোলাস একে ‘এক প্রজন্মের মধ্যে লর্ডসের স্কয়ার ও পিচ প্রস্তুতি নিয়ে সবচেয়ে বড় গবেষণা’ বলে আখ্যায়িত করেছেন। এমসিসির ডিরেক্টর অব ক্রিকেট রব লিঞ্চ এবং গ্রাউন্ডস্টাফদের নিয়ে গঠিত বিশেষজ্ঞ দল আধুনিক ডাটা অ্যানালাইসিসের ভিত্তিতে এই পুনর্গঠন কাজ শুরু করেছে।

এই পিচ কাণ্ডের জেরে ভবিষ্যতে লর্ডসের সূচিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে। বিশেষ করে, অ্যাশেজের মতো মর্যাদাপূর্ণ সিরিজের আগে পিচ প্রস্তুত করতে পর্যাপ্ত সময় পেতে চায় কর্তৃপক্ষ। এজন্য লর্ডসের কিছু ছোট ও রিক্রিয়েশনাল ম্যাচ স্যার পল গেটির গ্রাউন্ডে (ওয়ার্মসলে) সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা চলছে।

লর্ডসের এই সংকট সামাল দিতে দীর্ঘমেয়াদী কৌশল হাতে নিয়েছে এমসিসি। আগামী বসন্তে একটি নতুন হাইব্রিড পিচ (৯৫ শতাংশ প্রাকৃতিক ও ৫ শতাংশ কৃত্রিম ঘাস) স্থাপন করা হবে। এছাড়া ২০২৮ সালের মধ্যে লর্ডসে প্রথমবারের মতো স্থায়ী ড্রপ-ইন ট্রের ব্যবহার শুরু হবে, যা বর্তমানে পরীক্ষামূলকভাবে নার্সারি গ্রাউন্ডে রাখা হয়েছে।

আগামী ২০৩১ সাল পর্যন্ত লর্ডসের টেস্ট আয়োজনের চুক্তি রয়েছে। সামনের বছর লর্ডসে দুটি টেস্ট ম্যাচ নির্ধারিত থাকলেও, বিশ্ব টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনাল চলে গেছে ওভালে। যদিও ভারতের বিপক্ষে ওয়ানডে এবং পাকিস্তান ও ভারতের নারী দলের ম্যাচগুলোর পিচ ‘সন্তোষজনক’ ও ‘খুব ভালো’ সার্টিফিকেট পায়। তবে জুনের সেই কালো দাগ মুছতে মরিয়া এখন বৃটিশ ক্রিকেট প্রশাসন।