ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ
ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ
0:00 0:00

ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ

বাংলাদেশ
ইলিশ রক্ষায় ২২ দিনের অভিযানে ৬১ কোটি টাকার জাল-সরঞ্জাম জব্দ

মা ইলিশ সংরক্ষণে অভিযান শেষ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ছবি: আইএসপিআর

নিউজ ডেস্ক
৩০ অক্টোবর ২০২৬, ৯:০৬ এএম

মা ইলিশ সংরক্ষণে ২২ দিনের বিশেষ অভিযান শেষ করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। ৮ থেকে ২৯ অক্টোবর পর্যন্ত পরিচালিত এ অভিযানে ২১২টি অভিযান চালিয়ে ৮৪ লাখ ২১ হাজার ৬৭০ মিটার অবৈধ জাল, ১৬৬টি বিভিন্ন ধরনের জাল, চারটি বোট এবং ৫৭০ কেজি মা ইলিশ জব্দ করা হয়েছে।

জব্দ করা সামগ্রীর আনুমানিক মূল্য ৬১ কোটি ১৮ লাখ ৩ হাজার ৮৯০ টাকা। এ ছাড়া ৬ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে।

আজ শুক্রবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জাতীয় সম্পদ ইলিশের নিরাপদ প্রজনন, বংশবিস্তার ও সংরক্ষণ নিশ্চিত করতে ‘ইন এইড টু সিভিল পাওয়ার’-এর আওতায় এ অভিযান পরিচালনা করে নৌবাহিনী। ২২ দিনের অভিযানে দেশের ৯টি জেলায় সাতটি জাহাজ ও বিভিন্ন কন্টিনজেন্টের মাধ্যমে নিয়মিত টহল ও নজরদারি চালানো হয়।

গভীর সমুদ্রে দেশি-বিদেশি মাছ ধরার নৌযানের অবৈধ অনুপ্রবেশ এবং নিষিদ্ধ সময়ে ইলিশ আহরণ ঠেকাতে নৌবাহিনীর জাহাজের পাশাপাশি মেরিটাইম পেট্রোল এয়ারক্রাফটের মাধ্যমে নজরদারি করা হয়। একই সঙ্গে সমুদ্র, উপকূলীয় অঞ্চল এবং দেশের অভ্যন্তরীণ নদ-নদীতে ইলিশের প্রধান প্রজননক্ষেত্রগুলোতে অভিযান চালানো হয়।

এ কার্যক্রম বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্ট গার্ড, নৌ পুলিশ ও মৎস্য অধিদপ্তরের সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ করে নৌবাহিনী।

অভিযানে জব্দ করা অবৈধ জাল স্থানীয় প্রশাসনের উপস্থিতিতে ধ্বংস করা হয়। জব্দ করা জাটকা স্থানীয় এতিমখানায় দান করা হয়। নিষেধাজ্ঞা অমান্যকারী ব্যক্তি ও মাছ ধরার বোটগুলোকে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য স্থানীয় প্রশাসনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। পাশাপাশি জেলেদের মধ্যে সচেতনতা বাড়াতে প্রচার-প্রচারণাও চালানো হয়।

আইএসপিআরের বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মা ইলিশের নির্বিঘ্ন প্রজনন ও বংশবিস্তারের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে এ ধরনের অভিযান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। নিষেধাজ্ঞার মেয়াদ শেষ হওয়ায় জেলেরা আবার স্বাভাবিকভাবে মাছ আহরণ ও জীবিকা নির্বাহের সুযোগ পাচ্ছেন। একই সঙ্গে দেশের সামুদ্রিক ও অভ্যন্তরীণ জলাশয়ের মৎস্যসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবস্থাপনার পথ সুগম হচ্ছে।

বিষয়:

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত