প্রতি ম্যাচে দুই দলেই খেলবেন আমিনুল হক – MZamin
প্রতি ম্যাচে দুই দলেই খেলবেন আমিনুল হক – MZamin
0:00 0:00

প্রতি ম্যাচে দুই দলেই খেলবেন আমিনুল হক – MZamin

খেলা
প্রতি ম্যাচে দুই দলেই খেলবেন আমিনুল হক – MZamin
নিউজ ডেস্ক
৩১ অক্টোবর ২০২৬, ২:২১ পিএম

২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়নশিপ ও ২০১০ সালের এসএ গেমস- বাংলাদেশের ফুটবলের ইতিহাসে স্মরণীয় দু’টি সাফল্য। সেই দুই গৌরবময় অধ্যায়ের নায়কদের আবারো একসঙ্গে দেখা যাবে ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে। আজ মুখোমুখি হবে ২০০৩ সালের সাফ চ্যাম্পিয়ন ও ২০১০ সালের এসএ গেমসে স্বর্ণজয়ী বাংলাদেশ দল। আগামী ৫ই নভেম্বর ঢাকায় শুরু হতে যাওয়া সাফ চ্যাম্পিয়নশিপে জাতীয় দলকে উৎসাহ জোগাতেই এই বিশেষ আয়োজন। তবে ম্যাচের বাড়তি আকর্ষণ, দুই দলের হয়েই মাঠে নামবেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক।

২০০৩ ও ২০১০- দুই দলেরই গুরুত্বপূর্ণ সদস্য ছিলেন গোলরক্ষক আমিনুল হক। এবার তার উদ্যোগেই সাবেক চ্যাম্পিয়নদের নিয়ে এই প্রীতি ম্যাচ আয়োজনের পরিকল্পনা করা হয়েছে। ফুটবলের সোনালি দিনের তারকাদের একত্র করার পাশাপাশি বর্তমান জাতীয় দলকে অনুপ্রাণিত করাই এই আয়োজনের উদ্দেশ্য। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় ক্রীড়া পরিষদের পরিচালক (ক্রীড়া) ও সাবেক ফুটবলার জাহিদ পারভেজ চৌধুরী। ২০১০ সালে এসএ গেমসে সোনা জয়ী দলের এই সদস্য বলেন, ‘দীর্ঘদিনের শিরোপাখরা কাটাতে আমাদের ফুটবল দল প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আমরা সব সময় নানা উপায়ে তাদের উৎসাহ জোগাচ্ছি। আজ ঢাকার জাতীয় স্টেডিয়ামে দুই চ্যাম্পিয়ন দলের ম্যাচটি তারই একটি অংশ।’ ২০০৩ সালে ঘরের মাঠে সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের শিরোপা জিতে প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার ফুটবলে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জন করে বাংলাদেশ। সাত বছর পর ২০১০ সালে একই জাতীয় স্টেডিয়ামে এসএ গেমসের ফুটবলেও সোনা জেতে লাল-সবুজের দল। কিন্তু ২০০৩ সালের পর আর সাফ চ্যাম্পিয়ন হতে পারেনি বাংলাদেশ। ২০০৫ সালে ফাইনালে উঠলেও শিরোপা অধরাই থেকে যায়। এবার ঘরের মাঠে ২৩ বছর পর সাফের মুকুট পুনরুদ্ধারের স্বপ্ন দেখছে টমাস ডুলির দল। ৫ই নভেম্বর উদ্বোধনী দিনে ভুটানের মুখোমুখি হবে স্বাগতিক বাংলাদেশ।

দুই ঐতিহাসিক সাফল্যেই গোলপোস্টের নিচে অতন্দ্র প্রহরী ছিলেন আমিনুল হক। তাই দুই দলের খেলোয়াড়দেরই প্রত্যাশা, প্রতিমন্ত্রীকে দেখা যাবে তাদের জার্সিতে। শেষ পর্যন্ত সেই কৌতূহলের সমাধানও মিলেছে। জানা গেছে, ম্যাচের দুই অর্ধে দুই দলের জার্সি গায়ে মাঠে নামবেন আমিনুল। অর্থাৎ প্রথমার্ধে এক দলের হয়ে খেলার পর দ্বিতীয়ার্ধে দেখা যাবে অন্য দলের জার্সিতে। ফলে আজকের ম্যাচটি শুধুই সাবেক ফুটবলারদের পুনর্মিলনীতে সীমাবদ্ধ থাকছে না। বাংলাদেশের ফুটবলের সোনালি অতীতের স্মৃতিচারণের পাশাপাশি আসন্ন সাফে নতুন ইতিহাস গড়ার স্বপ্ন জাগানোরও উপলক্ষ্য হয়ে উঠছে এই আয়োজন।